“আল্লাহ জানে ডিজেল কোথায়”
আমরা এর প্রতিকার চাই।
কৃষি অফিস জানে কোন গ্রামে কে স্যালো মেসিন দিয়ে বোরো ধানের চাষ করে। লোহাগড়া ফিলিং ষ্টেশনে দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার লোহাগড়া উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন আমাদের উপজেলায় ৪৪ টি ট্রাক্টরের নাম তালিকা ভুক্ত।
কিন্ত আমরা দেখছি শতাধিক ট্রাক্টর পাম্প থেকে তেল নিচ্ছে।
তারা মানছে না কোন নিয়ম নীতি। এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা বলেন আমারা প্রকৃত কৃষককে তেলের কার্ড দিচ্ছি।
ট্রাক্টর গাড়িতে ও দিচ্ছি।
হয়তো কিছু অসাধু লোক কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে।
আমরা এবিষয়ে প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি।
“আল্লাহ জানে ডিজেল কোথায়”
আমরা এর প্রতিকার চাই।
কৃষি অফিস জানে কোন গ্রামে কে স্যালো মেসিন দিয়ে বোরো ধানের চাষ করে। লোহাগড়া ফিলিং ষ্টেশনে দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার লোহাগড়া উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন আমাদের উপজেলায় ৪৪ টি ট্রাক্টরের নাম তালিকা ভুক্ত।
কিন্ত আমরা দেখছি শতাধিক ট্রাক্টর পাম্প থেকে তেল নিচ্ছে।
তারা মানছে না কোন নিয়ম নীতি। এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা বলেন আমারা প্রকৃত কৃষককে তেলের কার্ড দিচ্ছি।
ট্রাক্টর গাড়িতে ও দিচ্ছি।
হয়তো কিছু অসাধু লোক কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে।
আমরা এবিষয়ে প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি।
“আল্লাহ জানে ডিজেল কোথায়”
আমরা এর প্রতিকার চাই।
কৃষি অফিস জানে কোন গ্রামে কে স্যালো মেসিন দিয়ে বোরো ধানের চাষ করে। লোহাগড়া ফিলিং ষ্টেশনে দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার লোহাগড়া উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন আমাদের উপজেলায় ৪৪ টি ট্রাক্টরের নাম তালিকা ভুক্ত।
কিন্ত আমরা দেখছি শতাধিক ট্রাক্টর পাম্প থেকে তেল নিচ্ছে।
তারা মানছে না কোন নিয়ম নীতি। এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা বলেন আমারা প্রকৃত কৃষককে তেলের কার্ড দিচ্ছি।
ট্রাক্টর গাড়িতে ও দিচ্ছি।
হয়তো কিছু অসাধু লোক কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে।
আমরা এবিষয়ে প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি।
“আল্লাহ জানে ডিজেল কোথায়”
আমরা এর প্রতিকার চাই।
কৃষি অফিস জানে কোন গ্রামে কে স্যালো মেসিন দিয়ে বোরো ধানের চাষ করে। লোহাগড়া ফিলিং ষ্টেশনে দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার লোহাগড়া উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন আমাদের উপজেলায় ৪৪ টি ট্রাক্টরের নাম তালিকা ভুক্ত।
কিন্ত আমরা দেখছি শতাধিক ট্রাক্টর পাম্প থেকে তেল নিচ্ছে।
তারা মানছে না কোন নিয়ম নীতি। এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা বলেন আমারা প্রকৃত কৃষককে তেলের কার্ড দিচ্ছি।
ট্রাক্টর গাড়িতে ও দিচ্ছি।
হয়তো কিছু অসাধু লোক কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে।
আমরা এবিষয়ে প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি।
“আল্লাহ জানে ডিজেল কোথায়”
আমরা এর প্রতিকার চাই।
কৃষি অফিস জানে কোন গ্রামে কে স্যালো মেসিন দিয়ে বোরো ধানের চাষ করে। লোহাগড়া ফিলিং ষ্টেশনে দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার লোহাগড়া উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন আমাদের উপজেলায় ৪৪ টি ট্রাক্টরের নাম তালিকা ভুক্ত।
কিন্ত আমরা দেখছি শতাধিক ট্রাক্টর পাম্প থেকে তেল নিচ্ছে।
তারা মানছে না কোন নিয়ম নীতি। এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা বলেন আমারা প্রকৃত কৃষককে তেলের কার্ড দিচ্ছি।
ট্রাক্টর গাড়িতে ও দিচ্ছি।
হয়তো কিছু অসাধু লোক কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে।
আমরা এবিষয়ে প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি।
“আল্লাহ জানে ডিজেল কোথায়”
আমরা এর প্রতিকার চাই।
কৃষি অফিস জানে কোন গ্রামে কে স্যালো মেসিন দিয়ে বোরো ধানের চাষ করে। লোহাগড়া ফিলিং ষ্টেশনে দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার লোহাগড়া উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন আমাদের উপজেলায় ৪৪ টি ট্রাক্টরের নাম তালিকা ভুক্ত।
কিন্ত আমরা দেখছি শতাধিক ট্রাক্টর পাম্প থেকে তেল নিচ্ছে।
তারা মানছে না কোন নিয়ম নীতি। এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা বলেন আমারা প্রকৃত কৃষককে তেলের কার্ড দিচ্ছি।
ট্রাক্টর গাড়িতে ও দিচ্ছি।
হয়তো কিছু অসাধু লোক কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে।
আমরা এবিষয়ে প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি।
“আল্লাহ জানে ডিজেল কোথায়”
আমরা এর প্রতিকার চাই।
কৃষি অফিস জানে কোন গ্রামে কে স্যালো মেসিন দিয়ে বোরো ধানের চাষ করে। লোহাগড়া ফিলিং ষ্টেশনে দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার লোহাগড়া উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন আমাদের উপজেলায় ৪৪ টি ট্রাক্টরের নাম তালিকা ভুক্ত।
কিন্ত আমরা দেখছি শতাধিক ট্রাক্টর পাম্প থেকে তেল নিচ্ছে।
তারা মানছে না কোন নিয়ম নীতি। এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা বলেন আমারা প্রকৃত কৃষককে তেলের কার্ড দিচ্ছি।
ট্রাক্টর গাড়িতে ও দিচ্ছি।
হয়তো কিছু অসাধু লোক কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে।
আমরা এবিষয়ে প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি।
“আল্লাহ জানে ডিজেল কোথায়”
আমরা এর প্রতিকার চাই।
কৃষি অফিস জানে কোন গ্রামে কে স্যালো মেসিন দিয়ে বোরো ধানের চাষ করে। লোহাগড়া ফিলিং ষ্টেশনে দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার লোহাগড়া উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন আমাদের উপজেলায় ৪৪ টি ট্রাক্টরের নাম তালিকা ভুক্ত।
কিন্ত আমরা দেখছি শতাধিক ট্রাক্টর পাম্প থেকে তেল নিচ্ছে।
তারা মানছে না কোন নিয়ম নীতি। এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা বলেন আমারা প্রকৃত কৃষককে তেলের কার্ড দিচ্ছি।
ট্রাক্টর গাড়িতে ও দিচ্ছি।
হয়তো কিছু অসাধু লোক কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে।
আমরা এবিষয়ে প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি।
পঞ্চগড়ে শিক্ষকদের ক্লাস বর্জনে পাঠদান ব্যাহত
তারপরও আমি লিখিত আবেদন দিয়ে বাড়িতে চলে যাই।
এরপর থেকেই তিনি আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে হুমকি দেন।
আমি শোক মুহূর্তে তার এমন আচরণে খুবই কষ্ট পেয়েছি।
বিষয়টি মানবিকভাবে দেখলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, মতিউর রহমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই স্বেচ্ছাচারিতা দেখিয়ে আসছেন।
তার আন্তরিকতাহীন আচরণে কেউই সন্তুষ্ট না। অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান বলেন, শিক্ষকেরা কেন ক্লাসে যাচ্ছে না- তা আমি জানিনা।
এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।বিদ্যালয়টির সভপতি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া হবে।
কিশোরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় ইউপি সদস্য ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছি।
সালিশে যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, উভয় পক্ষই তা মেনে নেয়।
কিন্তু এখনো সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি।এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুরে আলম সিদ্দিক তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মোস্তফার মাধ্যমে খাইরুলের কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছি তা পরিশোধ করেছি আর রুকন যে খাইরুলের কাছ থেকে টাকা নিছে তা পরিশোধ করছে কিনা আমি জানি না।
অন্যদিকে আমি বাড়ির বাউন্ডারি করতে গেলে খাইরুল ও তার পরিবারের লোকজন আমার কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা চাদা দাবি করছে।
এ বিষয় প্রশাসনের নিকট আমি বিচার চাই।
করগাঁও ইউনিয়নকে আধুনিকায়ন করে সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবো-শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ
রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন হয়নি।করগাঁও ইউনিয়ন সবদিক থেকে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছে।বিএনপি সরকার বর্তমানে ক্ষমতায় থাকায় আমি আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে করগাঁও ইউনিয়নকে আধুনিকায়ন করে সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।যেখানে শিক্ষা,স্বাস্থ্য,কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে’।তিনি বলেন, আমি সারা জীবন ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে রাজনীতি করে গেছি।বিগত সময়ে চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে ইউনিয়নের অনেক উন্নয়ন করেছিলাম।আমি আবারো আসন্ন নির্বাচনে জনগণের সমর্থন নিয়ে জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি তাহলে অবহেলিত করগাঁও ইউনিয়নের এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে অবহেলিত এলাকাটিকে আধুনিকায়ন করে সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এদিকে দলীয় ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে,শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ সব সময় অসহায় ও বিপদ গ্রস্থ সহ এলাকার সকল মানুষের পাশে ছিলেন।দলীয় নেতাকর্মীরা জানান,শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ নব্বইয়ের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের বীর সৈনিক।চব্বিশের স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী আন্দোলনেও কিশোরগঞ্জের রাজপথে তীব্র গণ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তিনি।কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে প্রবেশ করে জেলা ছাত্রদলের সদস্য পদে গুরু দ্বায়িত্ব পালন করেন তিনি।শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে শত নিপীড়ন নির্যাতনেও ছেড়ে যান নি রাজপথ।স্বৈরাচার হাসিনার খুনি বাহিনীর হাতে বার বার নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন তিনি।ফিরে এসেছেন মৃত্যুর খুব কাছ থেকে।রিমান্ডে নিয়ে অকথ্য নির্যাতন করা হতো তাকে।তার বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য মামলা।দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে রাজপথে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।ত্যাগী ও লড়াকু নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবিশরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ কেবল পদধারী নেতা নন, বরং রাজপথের একজন লড়াকু সৈনিক হিসেবে নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত।
বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে আওয়ামী সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনে তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
বিশেষ করে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান এবং তার পরবর্তী সময়ে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত রাখতে তিনি সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।বিগত সময়ে আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিকবার কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়া এই নেতা কঠিন প্রতিকূল সময়েও মাঠ ছেড়ে যাননি।সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনপ্রিয়তাশরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ১৯৮৫ সালে জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে ছাত্ররাজনীতি শুরু করেন।১৯৮৮ সাল পর্যন্ত জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন।১৯৯১ সালে কটিয়াদি উপজেলা যুবদলের সদস্য নির্বাচিত হন।১৯৯৯ সালে বিনাপ্রতিদ্বন্দীতায় করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক নির্বাচিত হন।পরে ২০০১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে আবারো বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় করগাও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।২ বছর সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করে পুনরায় করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক নির্বাচিত হন।২০০৪ সালের ডিসেম্বরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনরায় করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।২০০৭ সালে কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক নির্বাচিত হন।তৎকালীন সময় উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ছিলেন বিএনপি নেতা আশফাক আহমেদ জুন।২০১০ সালে আবারো করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও পরে নির্বাচিত সভাপতি হন।২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ছিলেন।২০১৭ সালে পুনরায় করগাও ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক নির্বাচিত হন।২০২১ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আবারো করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।বর্তমানে তিনি করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির গুরু দ্বায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের বিপুল ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।তার শাসনামলে এলাকার মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পেরেছে বলে জানিয়েছে।বিগত সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অসহায় মানুষের পাশে গভীরভাবে ছায়া হয়ে আছেন তিনি।শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ঐতিহ্যবাহী করগাঁও ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির ৩ বার সভাপতি পরে আবার নির্বাচিত ৩ বার সভাপতি ছিলেন।তিনি করগাঁও বাজার বণিক সমিতির ২০০১ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত টানা ২০ বছর সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন।এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত।এলাকার অসহায় মানুষদের তিনি আর্থিকভাবে সহযোগীতা করে আসছেন ছাত্ররাজনীতির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত।শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পালনে তার সাংগঠনিক দক্ষতা দেখিয়েছেন।দলের কঠিন দু:সময়ে সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তাদের সুখে-দুখে পাশে থাকার কারণে দলের বিশাল সকল অংশ তাকে আগামী দিনে আবারো ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।ক্লিন ইমেজ ও আগামীর প্রত্যাশাবিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন ‘ক্লিন ইমেজ’ এবং ‘পরিক্ষিত’ নেতাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন,তখন তার বিরুদ্ধে এলাকায় কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বা বিশৃঙ্খলার অভিযোগ নেই, যা বর্তমান সময়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে অত্যন্ত জরুরি।সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,মাঠ ঘাঠ চায়ের দুকানে চলছে তাকে নিয়েই আলোচনা।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাকে নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন সাধারণ কর্মীরা। সার্বিক বিষয়ে কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ বলেন,‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত নেবেন,যে দ্বায়িত্ব আমাদের উপর অর্পণ করবেন আমরা সেটাই মেনে নিয়ে আমার এলাকার মানুষের অধিকারের জন্য,কল্যাণ ও শান্তি সুখের জন্য কাজ করবো ইনশাআল্লাহ'।
কিশোরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় ইউপি সদস্য ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছি।
সালিশে যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, উভয় পক্ষই তা মেনে নেয়।
কিন্তু এখনো সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি।এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুরে আলম সিদ্দিক তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মোস্তফার মাধ্যমে খাইরুলের কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছি তা পরিশোধ করেছি আর রুকন যে খাইরুলের কাছ থেকে টাকা নিছে তা পরিশোধ করছে কিনা আমি জানি না।
অন্যদিকে আমি বাড়ির বাউন্ডারি করতে গেলে খাইরুল ও তার পরিবারের লোকজন আমার কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা চাদা দাবি করছে।
এ বিষয় প্রশাসনের নিকট আমি বিচার চাই।
কিশোরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় ইউপি সদস্য ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছি।
সালিশে যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, উভয় পক্ষই তা মেনে নেয়।
কিন্তু এখনো সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি।এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুরে আলম সিদ্দিক তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মোস্তফার মাধ্যমে খাইরুলের কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছি তা পরিশোধ করেছি আর রুকন যে খাইরুলের কাছ থেকে টাকা নিছে তা পরিশোধ করছে কিনা আমি জানি না।
অন্যদিকে আমি বাড়ির বাউন্ডারি করতে গেলে খাইরুল ও তার পরিবারের লোকজন আমার কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা চাদা দাবি করছে।
এ বিষয় প্রশাসনের নিকট আমি বিচার চাই।