করিমগঞ্জে পিঠা উৎসব, ফুটে উঠেছে গ্রামীণ ঐতিহ্য
যেকোনো প্রয়োজনে সবাই সবার পাশে থাকার চেষ্টা করি।
বাংলা ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে এমন অনুষ্ঠান করে থাকি।
যাতে কাজের পাশাপাশি আমাদের দেশীয় কালচার সম্পর্কে সকলে অবগতি থাকতে পারি।প্রধান অতিথি এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা বলেন,এ রকম আয়োজনের মাধ্যমে যে ভ্রাতৃত্ববোধের সৃষ্টি হয়েছে, তা সবার জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মূল্যবোধ ও আদর্শ অনুসরণ, মানবিক মর্যাদা বৃদ্ধি, সবার মধ্যে সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ তুলে ধরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বহির্বিশ্বে উজ্জ্বল করার জন্য নবপ্রজন্মকে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশি সংস্কৃতি লালনে উৎসাহিত করার আহ্বানও জানান প্রধান অতিথি এড. জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা।
যশোর মাতাতে আগামী ২৭ এপ্রিল আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, "বিগত ১৭ বছর ধরে যশোরের উন্নয়নের যে চাকা থমকে গিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে তা নতুন গতিতে সচল হবে।"সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সমন্বয়ে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান ও পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ের তদারকি করছেন।এদিকে জ্বালানি সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, বৈশ্বিক অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশে সেচ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর।
কৃষকরা যাতে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে লক্ষ্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
জনসভা শেষে ওই দিনই প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে।
বরিশাল উজিরপুর উপজেলায় ধামুরা-সানুহার ঈদগাহ মার্কেট সংলগ্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা
গর্ত ও কাদার কারণে অনেক সময় যানবাহন আটকে পড়ছে বা নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে চালক,করা।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হালকা বৃষ্টিপাত হলেই সড়কটি যেন নদীতে পরিণত হয়।
এতে করে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি সংস্কার করে জনদুর্ভোগ লাঘবের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।
এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার অবৈধভাবে মজুদ ও বেশি দামে বিক্রির দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা
এসব কার্যক্রম প্রতিরোধে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।জনস্বার্থে র্যাবের এ ধরনের জনবান্ধব কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
করিমগঞ্জে পিঠা উৎসব, ফুটে উঠেছে গ্রামীণ ঐতিহ্য
যেকোনো প্রয়োজনে সবাই সবার পাশে থাকার চেষ্টা করি।
বাংলা ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে এমন অনুষ্ঠান করে থাকি।
যাতে কাজের পাশাপাশি আমাদের দেশীয় কালচার সম্পর্কে সকলে অবগতি থাকতে পারি।প্রধান অতিথি এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা বলেন,এ রকম আয়োজনের মাধ্যমে যে ভ্রাতৃত্ববোধের সৃষ্টি হয়েছে, তা সবার জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মূল্যবোধ ও আদর্শ অনুসরণ, মানবিক মর্যাদা বৃদ্ধি, সবার মধ্যে সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ তুলে ধরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বহির্বিশ্বে উজ্জ্বল করার জন্য নবপ্রজন্মকে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশি সংস্কৃতি লালনে উৎসাহিত করার আহ্বানও জানান প্রধান অতিথি এড. জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা।
যশোর মাতাতে আগামী ২৭ এপ্রিল আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, "বিগত ১৭ বছর ধরে যশোরের উন্নয়নের যে চাকা থমকে গিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে তা নতুন গতিতে সচল হবে।"সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সমন্বয়ে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান ও পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ের তদারকি করছেন।এদিকে জ্বালানি সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, বৈশ্বিক অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশে সেচ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর।
কৃষকরা যাতে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে লক্ষ্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
জনসভা শেষে ওই দিনই প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে।
বরিশাল উজিরপুর উপজেলায় ধামুরা-সানুহার ঈদগাহ মার্কেট সংলগ্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা
গর্ত ও কাদার কারণে অনেক সময় যানবাহন আটকে পড়ছে বা নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে চালক,করা।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হালকা বৃষ্টিপাত হলেই সড়কটি যেন নদীতে পরিণত হয়।
এতে করে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি সংস্কার করে জনদুর্ভোগ লাঘবের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।
এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার অবৈধভাবে মজুদ ও বেশি দামে বিক্রির দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা
এসব কার্যক্রম প্রতিরোধে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।জনস্বার্থে র্যাবের এ ধরনের জনবান্ধব কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরি চেষ্টা: ভাঙারি ব্যবসায়ী আটক
এ সময় সিএনজি যোগে থাকা অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও আলা উদ্দিন ঘটনাস্থলেই ধরা পড়েন।পরে স্থানীয়রা তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সরঞ্জাম, নলকূপ, অটোরিকশার ব্যাটারি, মসজিদের মাইক, ওয়াইফাই তার ও বিদ্যুতের তারসহ বিভিন্ন ধরনের চুরি বেড়ে গেছে।এসব ঘটনার সঙ্গে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মাদকসেবী এবং ভাঙারী ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কিছু অসাধু ব্যক্তি সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়দের দাবি, এসব চুরি রোধে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি এবং কঠোর ব্যবস্থা নেয়া দরকার।
২০ মাস পর কবর থেকে তোলা হলো গুলিবিদ্ধ তরুণ রাব্বির মরদেহ
মামলার প্রেক্ষিতে আদালত মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।এ বিষয়ে সিআইডির গাজীপুর জেলা ও মেট্রো পুলিশের উপ-পুলিশ পরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবু নোমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে লাঠিচার্জ ও ছোড়া গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত হন আবু সুফিয়ান রাব্বি।
পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তবে সে সময় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করা হয়েছিল।
আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করে দাফন করায় আদালত কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।
সেই আদেশ অনুযায়ী বুধবার দুপুরে রাব্বির মরদেহ তোলা হয়।এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাঃ সাব্বির হোসাইন বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মরদেহ উত্তোলনের করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পুনরায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
"সংকটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: চ্যালেঞ্জ জয় ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত"
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাজার সিন্ডিকেটের প্রভাব, যা বাজার ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করছে।এছাড়া ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা—বিশেষ করে ঋণ খেলাপি ও অর্থপাচার—অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে তুলেছে।
এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক খাতের সংস্কার ও আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট:জ্বালানি সংকট শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানি দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
এই সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নীতি গ্রহণ অপরিহার্য।আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি:আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
দুর্নীতি, ঘুষ ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে এই খাতে কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন।কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ:প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করছে, কিন্তু পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না।
শিক্ষিত বেকারত্ব বাড়ছে।
নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং শিল্পায়ন বৃদ্ধি ছাড়া এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।রাজনীতি ও ভূ-রাজনীতি:“বাংলাদেশ ফার্স্ট” নীতি অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করা সরকারের জন্য একটি বড় পরীক্ষা।
বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা জরুরি।নতুন সরকারের সম্ভাবনাচ্যালেঞ্জের পাশাপাশি নতুন সরকারের সামনে রয়েছে বড় ধরনের সম্ভাবনা, যা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের ভবিষ্যৎ বদলে যেতে পারে।গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসন:নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসায় সরকারের প্রতি একটি জনসমর্থন তৈরি হয়েছে।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
দীর্ঘমেয়াদে এটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করবে।অর্থনৈতিক সংস্কার ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি:ব্যাংকিং খাত সংস্কার, মুদ্রানীতিতে শৃঙ্খলা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।
সঠিক নীতি গ্রহণ করলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার সম্ভব।তরুণ জনগোষ্ঠীর শক্তি:বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো এর তরুণ জনগোষ্ঠী।
পরিকল্পিতভাবে কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করা গেলে এই তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
এতে কর্মসংস্থান যেমন বাড়বে, তেমনি অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও এলডিসি উত্তরণ:২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে।
এটি আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের মর্যাদা বাড়াবে।
তৈরি পোশাক খাতের বাইরে নতুন রপ্তানি খাত গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।কূটনৈতিক ভারসাম্য:আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
“বাংলাদেশ ফার্স্ট” নীতি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরি চেষ্টা: ভাঙারি ব্যবসায়ী আটক
এ সময় সিএনজি যোগে থাকা অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও আলা উদ্দিন ঘটনাস্থলেই ধরা পড়েন।পরে স্থানীয়রা তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সরঞ্জাম, নলকূপ, অটোরিকশার ব্যাটারি, মসজিদের মাইক, ওয়াইফাই তার ও বিদ্যুতের তারসহ বিভিন্ন ধরনের চুরি বেড়ে গেছে।এসব ঘটনার সঙ্গে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মাদকসেবী এবং ভাঙারী ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কিছু অসাধু ব্যক্তি সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়দের দাবি, এসব চুরি রোধে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি এবং কঠোর ব্যবস্থা নেয়া দরকার।
২০ মাস পর কবর থেকে তোলা হলো গুলিবিদ্ধ তরুণ রাব্বির মরদেহ
মামলার প্রেক্ষিতে আদালত মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।এ বিষয়ে সিআইডির গাজীপুর জেলা ও মেট্রো পুলিশের উপ-পুলিশ পরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবু নোমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে লাঠিচার্জ ও ছোড়া গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত হন আবু সুফিয়ান রাব্বি।
পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তবে সে সময় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করা হয়েছিল।
আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করে দাফন করায় আদালত কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।
সেই আদেশ অনুযায়ী বুধবার দুপুরে রাব্বির মরদেহ তোলা হয়।এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাঃ সাব্বির হোসাইন বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মরদেহ উত্তোলনের করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পুনরায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
"সংকটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: চ্যালেঞ্জ জয় ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত"
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাজার সিন্ডিকেটের প্রভাব, যা বাজার ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করছে।এছাড়া ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা—বিশেষ করে ঋণ খেলাপি ও অর্থপাচার—অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে তুলেছে।
এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক খাতের সংস্কার ও আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট:জ্বালানি সংকট শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানি দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
এই সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নীতি গ্রহণ অপরিহার্য।আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি:আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
দুর্নীতি, ঘুষ ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে এই খাতে কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন।কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ:প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করছে, কিন্তু পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না।
শিক্ষিত বেকারত্ব বাড়ছে।
নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং শিল্পায়ন বৃদ্ধি ছাড়া এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।রাজনীতি ও ভূ-রাজনীতি:“বাংলাদেশ ফার্স্ট” নীতি অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করা সরকারের জন্য একটি বড় পরীক্ষা।
বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা জরুরি।নতুন সরকারের সম্ভাবনাচ্যালেঞ্জের পাশাপাশি নতুন সরকারের সামনে রয়েছে বড় ধরনের সম্ভাবনা, যা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের ভবিষ্যৎ বদলে যেতে পারে।গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসন:নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসায় সরকারের প্রতি একটি জনসমর্থন তৈরি হয়েছে।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
দীর্ঘমেয়াদে এটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করবে।অর্থনৈতিক সংস্কার ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি:ব্যাংকিং খাত সংস্কার, মুদ্রানীতিতে শৃঙ্খলা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।
সঠিক নীতি গ্রহণ করলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার সম্ভব।তরুণ জনগোষ্ঠীর শক্তি:বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো এর তরুণ জনগোষ্ঠী।
পরিকল্পিতভাবে কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করা গেলে এই তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
এতে কর্মসংস্থান যেমন বাড়বে, তেমনি অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও এলডিসি উত্তরণ:২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে।
এটি আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের মর্যাদা বাড়াবে।
তৈরি পোশাক খাতের বাইরে নতুন রপ্তানি খাত গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।কূটনৈতিক ভারসাম্য:আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
“বাংলাদেশ ফার্স্ট” নীতি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কিশোরগঞ্জে লিফলেট বিতরণ
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক, সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি শামসুল আলম সেলিম, অধ্যাপক কাজী মো. সাইফুল্লাহ, রাজনৈতিক বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক আজিজুল হক কাজল, এনসিপি জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির ক্বারী মাওলানা নজরুল ইসলাম, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি আ. ন. ম. নঈমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।