শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
সম্পাদকীয়

সুগঠিত পরিবার : সুন্দর জীবনের ভিত্তি

Admin ১৪ May ২০২৬ · Thursday · ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ
সুগঠিত পরিবার : সুন্দর জীবনের ভিত্তি
শিরোনাম: সুগঠিত পরিবার : সুন্দর জীবনের ভিত্তি

সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো পরিবার। শিশুর সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ায় শুরু হয় পরিবার থেকে। সুন্দর জীবন গড়ার জন্য পারিবারিক কাঠামো সুন্দর হওয়া জরুরি। সুপরিকল্পিত পরিবার গঠনের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের তাৎপর্যপূর্ণ ভাবনা ও মতামত তুলে ধরছি আমি মো. জাহিদ হাসান, শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও মূল্যবোধের মিলনস্থল

মানুষ স্বভাবতই সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করা মানুষের প্রবৃত্তিগত বৈশিষ্ট্য। সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো পরিবার। পরিবার হলো সমাজের ক্ষুদ্রতম ও মৌলিক একক, যা স্নেহ-ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ থেকে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে প্রাথমিক ধাপ হিসেবে কাজ করে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য ও যৌথ বসবাস সমাজকে মজবুত করে। পরিবার এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে ভালোবাসা, নিরাপত্তা, সহানুভূতি এবং মূল্যবোধের চাষাবাদ হয়। এটি জীবনের প্রথম পাঠশালা, যেখানে মানুষ জন্ম থেকে বেড়ে ওঠে এবং জীবনের প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পায়। এটি কেবল একটি ঘর বা কতিপয় ব্যক্তির সমষ্টি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বিশ্বাসের এক দৃঢ় বন্ধন। পরিবার প্রত্যেক সদস্যকে মানসিক ও শারীরিক নিরাপত্তা দেয়। জীবনের যেকোনো কঠিন সময়ে, যেমন- অসুস্থতা বা আর্থিক সংকটে পরিবারই সবচেয়ে বড় অবলম্বন হিসেবে পাশে দাঁড়ায়। ছোটবেলা থেকে পরিবারেই সততা, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা এবং আদব-কায়দা শেখা হয়। এটি একটি শিশুর ব্যক্তিত্ব বিকাশে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। পরিবারের সকল সদস্য যদি তাদের প্রতি নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে এবং একে অপরের পাশে থাকে, তবেই একটি পরিবার আদর্শ পরিবারে রূপ নেয়। একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, ছোটখাটো মতবিরোধ দূর করা এবং একসাথে সময় কাটানোই সুখী জীবনের মূল মন্ত্র। পরিবারের অন্যতম কাজ হলো সদস্যদের মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করা। পরিবারের ক্ষুদ্র গণ্ডি ও নিরাপদ আলয়ে মানুষ তাঁর আবেগ ও অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে এবং সহজাত কামনা-বাসনা পূরণ করতে পারে। একটি আদর্শ পরিবারের ভিত্তি গৃহের সদস্যদের মধ্যকার আন্তরিক ও নিবিড় সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল। পরিবারের সদস্যরা যদি স্বার্থপরতা ও আত্মকেন্দ্রিকতা পরিহার করে নিজেদের মধ্যকার বন্ধনকে ধরে রাখতে পারে, তবে মানবীয় উৎকর্ষ ও পূর্ণতা অর্জন সহজতর হয়। ব্যস্ত জীবনের যান্ত্রিকতায় অনেক সময় আমরা পরিবারের গুরুত্ব ভুলে যাই। কিন্তু দিনশেষ পরিবারই আমাদের অকৃত্রিম শান্তির নীড়।

সাইফুল ইসলাম রোহান 
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

শাসন, স্নেহ এবং ত্যাগের অদৃশ্য বন্ধন

পরিবার শব্দটি উচ্চারণ করলেই এক অদ্ভুত অনুভূতি মনকে নাড়া দেয়। ছোটবেলায় গ্রামের সরল পরিবেশে বেড়ে ওঠা জীবনে বাবার উপস্থিতি ছিল সীমিত—প্রবাস জীবনের কারণে তাঁর আদর ঠিকমতো বোঝার সুযোগ হয়নি। অন্যদিকে মা ছিলেন শাসনের প্রতীক। তখন মনে হতো, এত কঠোরতা কেন? কিন্তু সময়ের সাথে বুঝেছি, সেই শাসনের ভেতরেই লুকিয়ে ছিল নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। একইভাবে বড় বোনও ছিল কখনো সহযোদ্ধা, কখনো অভিভাবক। মা একা হাতে পুরো সংসার সামলেছেন। দাদির হাতে কাটা আমের স্বাদ, কিংবা মানসিকভাবে অসুস্থ বড় আব্বুর অকৃত্রিম ভালোবাসা—এসব স্মৃতি আজও হৃদয়ে অমলিন। 
গ্রাম ছেড়ে শহরে আসার পর অনুভব করেছি পরিবারের গুরুত্ব। আমার জীবনের এক কঠিন মুহূর্ত ছিল দুর্ঘটনায় পা ভেঙে যাওয়া। অপারেশনের পর জ্ঞান ফিরে প্রথমেই দেখতে চেয়েছি বড় বোনকে। সে শুধু আমার বোন নয়, আস্থার জায়গা। অন্যদিকে, বাবার সাথে কাটানো সময় খুবই সীমিত—কয়েকটি ঈদ, আর অসংখ্য ভিডিও কল। তবুও জীবনের ব্যর্থতার মুহূর্তে পরিবারের উপর নির্ভরতা আমাকে শক্তি জুগিয়েছে। প্রথমবার ভর্তি পরীক্ষায় ব্যর্থতার পর যখন চারপাশে তিক্ততা জমেছিল, তখন বাবা-মা ও বোনের সমর্থন ছিল আশীর্বাদের মতো। এই অভিজ্ঞতাগুলো প্রমাণ করে—পরিবার শুধু রক্তের সম্পর্ক নয়, এটি ত্যাগ, ধৈর্য, ভালোবাসা আর অদৃশ্য শক্তির এক অনন্য বন্ধন।

মো: মোসাব্বিরুল হক
শিক্ষার্থী, সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ,সিরাজগঞ্জ।

নিঃস্বার্থ ছায়া

পরিবার একটি বটগাছের মতো। বটগাছ যেমন ছায়া দিয়ে সবাইকে প্রশান্তিতে রাখে, তেমনি পরিবারও সদস্যদের ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা  দিয়ে আগলে রাখে। পরিবার থেকেই আমরা ভালোবাসা, যত্ন, নিরাপত্তা ও মানসিক শক্তি পাই। পরিবারে কেউ কাউকে পেছনে ফেলে যায় না, হাজার বিপদেও একে অপরের পাশে শক্ত হয়ে দাঁড়ায়। পরিবারের সব সদস্যের গুরুত্ব থাকলেও সবচেয়ে মূখ্য ভূমিকা পালন করে বাবা-মা। তাঁরা সবসময় চেষ্টা করে পরিবারটাকে একসূত্রে বেধে রাখতে। জীবনের প্রাথমিক শিক্ষাগুলো আমরা পরিবার থেকেই পাই— একে অপরের প্রতি সম্মান করা, ছোটদের সঠিক পথ দেখানো, বিপদে একে অপরের পাশে থাকা, একে অপরের উপর আস্থা রাখা ইত্যাদি। তবে মাঝেমধ্যে একে অপরকে সময় না দেওয়ার কারণে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। যোগাযোগের দূরত্ব বাড়ে কাজের ব্যস্ততায়। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মনমালিন্য, ব্যস্ততা সবকিছু ঠিক হয়ে যায়, যখন খাবার টেবিলে সবাই একসাথে বসে। বর্তমানে অনেক পরিবারের মধ্যে সম্পর্কের বন্ধনে শিথিলতা লক্ষ্য যায় না। পরিবারের সদস্যরা একসাথে থাকলেও প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার, মোবাইল, সোশ্যালমিডিয়া ইত্যাদি কারণে সদস্যদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ কমে যাচ্ছে এবং যে যার মতো আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ছে। এ সমস্যা ক্রমেই জটিল হয়ে পড়ছে, যা মোটেই কাম্য নয়। পরিবার শুধু রক্তের সম্পর্ক না, এটি বিশ্বাস, ভালোবাসা এবং দায়িত্বের বন্ধন। একটি শক্তিশালী পরিবার একজন মানুষকে আত্মাবিশ্বাসী ও সফল হতে সাহায্য করে। পরিবারই আমাদের জীবনের আসল ছায়া।

তামান্না আহমেদ জিনিয়া
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

আত্মার মিলনস্থল

পরিবার জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এবং আত্মার মিলনস্থল। এখান থেকেই মানুষ ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ, সহানুভূতি ও নৈতিকতা শেখে। একটি সুস্থ ও আদর্শ পরিবার সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। পারিবারিক কোন্দল সন্তানের ওপর বাজে প্রভাব ফেলে এবং জীবনের সকল পর্যায়ে এর প্রভাব পড়ে। বর্তমানে অনেক পরিবারে সম্পর্কের উষ্ণতা কমে যাচ্ছে। প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার ও ব্যস্ততার কারণে পারস্পরিক যোগাযোগের অভাবে সদস্যদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। ফলে পরস্পরের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি, মানসিক চাপ ও একাকীত্ব বাড়ছে। অথচ, পরিবার হওয়া উচিত নিরাপত্তা ও মানসিক প্রশান্তির স্থান। এই সংকট কাটাতে প্রয়োজন আন্তরিকতা ও সচেতনতা। পরিবারের সদস্যদের একে অপরের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, সময় দেওয়া, বড়দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা, সহনশীলতা ও নৈতিকতা চর্চা, ছোটদের শাসন ও স্নেহ করা প্রভৃতি ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে পারিবারিক শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। সন্তানদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করা একটি আদর্শ পরিবার গঠনে সবচেয়ে বেশি সহায়ক ভূমিকা রাখে। সর্বোপরি, ভালোবাসা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে একটি পরিবার সত্যিকারের সুখের আশ্রয়ে পরিণত হতে পারে।

ফাইজা আক্তার আলো
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

পরিবারের সদস্যদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন জরুরি

পরিবার হলো সমাজের মৌলিক একক এবং প্রাচীন প্রতিষ্ঠান। শিশুর সামাজিকীকরণ শুরু হয় পরিবার থেকে। পরিবার থেকে অর্জিত গুণাবলি প্রতিটি মানুষ তাঁর জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে। কিন্তু দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, আমরা আজ আধুনিকতার নামে দিনের পর দিন পরিবার ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে ফেলছি। মনে পড়ে যায় পরিবারের সাথে গ্রামের ছোটবেলার কথা— রাত হলেই নানি-দাদির কাছে গল্প শোনা, সবাই মিলে একসাথে খোশগল্প করা, চাচার হাত ধরে হাট-বাজার ও মেলায় ঘুরতে যাওয়ার সেই দৃশ্যগুলো। কালের বিবর্তনে পরিবার থেকে হারিয়ে যাচ্ছে নানা-নানি, দাদা-দাদি, চাচা-চাচি, হারিয়ে যাচ্ছে রাতে একসাথে গল্প করার সেই মুহূর্তগুলো। ভেঙে পড়ছে আদর্শ পরিবার ব্যবস্থা। পরিবারের সকল সদস্য একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ, দায়িত্ববোধ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে আদর্শ পরিবার গঠিত হয়। আদর্শ পরিবার গঠনে বাবা-মায়ের অন্যতম প্রধান ভূমিকা হলো সন্তানকে যথেষ্ট পরিমানে সময় দেওয়া এবং সুশিক্ষিত হিসেবে গড়ে তোলা। পরিবার পরিচালনায় বাবা-মায়ের পাশাপাশি অন্য সদস্যদেরও যথাযথ ভূমিকা রয়েছে। কাজের চাপ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অধিক সময় ব্যয়, পরমতসহিষ্ণুতার, সন্তানের অবাধ্যতা প্রভৃতি কারণে বর্তমান সমাজে পারিবারিক কাঠামো ভেঙে পড়ছে। এছাড়া, অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা তৈরি সুখী পরিবারের অন্যতম নিয়ামক। তাই, পরিবারের সদস্যরা যেন শিক্ষিত ও কর্মঠ হয়ে ওঠে সে ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে হবে। সর্বোপরি,  আদর্শ পরিবার গঠনের জন্য সদস্যদের মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং উপার্জনের সক্ষমতা তৈরি করা জরুরি।

মো: বাপ্পি হোসেন
শিক্ষার্থী, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

আদর্শ পরিবারই সুস্থ সমাজের ভিত্তি

অনেক পরিবারেই আজ একই ছাদের নিচে থেকেও মানুষগুলো যেন আলাদা দ্বীপে বাস করছে। প্রযুক্তির পর্দা, ব্যস্ততার অজুহাত এবং অবহেলার দেয়াল ধীরে ধীরে সম্পর্কের উষ্ণতা গ্রাস করছে। ফলে পরিবার নামের বন্ধন থাকলেও তার প্রাণশক্তি ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে পড়ছে। একটি আদর্শ পরিবার গঠনের জন্য প্রয়োজন আন্তরিকতা, পারস্পরিক সম্মান ও দায়িত্বশীলতা। কিন্তু বাস্তবে ধৈর্যের অভাব, দায়িত্ব এড়িয়ে চলা এবং ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি অনীহা পরিবারে অশান্তির জন্ম দিচ্ছে। বিশেষ করে পারিবারিক যোগাযোগের ঘাটতি আজকের সমাজে অন্যতম বড় সংকট। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন পরিবারের সকলের মধ্যে নিয়মিত আলাপ-আলোচনা, একসাথে সময় কাটানো এবং একে অপরের অনুভূতির প্রতি গুরুত্ব দেওয়া। পাশাপাশি ইসলামি মূল্যবোধের চর্চা, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং সহমর্মিতা পারিবারিক সম্পর্ককে দৃঢ় করবে। একটি সুস্থ ও স্থিতিশীল সমাজ গড়ে ওঠে সুসংগঠিত পরিবার থেকে। কারণ, আদর্শ পরিবার থেকেই একজন সত্যিকারের মানুষ গড়ে ওঠে।

মোঃ সাইফুল হক 
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

আরও পড়ুন

স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতন্ত্রের সম্পর্ক: বর্তমান প্রেক্ষাপট-মোহাম্মদ মনঞ্জুর হোসেন

স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতন্ত্রের সম্পর্ক: বর্তমান প্রেক্ষাপট-মোহাম্মদ মনঞ্জুর হোসেন

 মোহাম্মদ হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার:গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীন...

০৬ June ২০২৬ · Saturday · ০৩:১২ পূর্বাহ্ণ
ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স ময়মনসিংহ জেলা নব নির্বাচিত কমিটির সংবর্ধনা ও পরিচিতি সভা

ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স ময়মনসিংহ জেলা নব নির্বাচিত কমিটির সংবর্ধনা ও পরিচিতি সভা

 মোঃ শহিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ জেলা ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স এর আয়োজন...

০৬ June ২০২৬ · Saturday · ০১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
কেএমপির বিশেষ যৌথ অভিযানে ৬৩ জন গ্রেফতার, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার; জব্দ ১১ মোটরসাইকেল ও পিকআপ

কেএমপির বিশেষ যৌথ অভিযানে ৬৩ জন গ্রেফতার, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার; জব্দ ১১ মোটরসাইকেল ও পিকআপ

 নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) উত্তর ও দক্ষিণ বিভাগের উদ্য...

০৬ June ২০২৬ · Saturday · ০১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
নান্দাইলে ১৪৪ ধারা জারি

নান্দাইলে ১৪৪ ধারা জারি

 মোঃ শহিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া এলাকায় দুই...

০৬ June ২০২৬ · Saturday · ০১:৫১ পূর্বাহ্ণ