শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ

গোপালপুর পৌরসভার এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্থানীয় নাগরিকদের অনিয়মের অভিযোগ

Admin ২১ May ২০২৬ · Thursday · ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
গোপালপুর পৌরসভার এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্থানীয় নাগরিকদের অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব  প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল

স্হানীয় নাগরিকদের অভিযোগ টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার গোপালপুর পৌরসভার একজন কর্মকর্তা মো: জাহিদুল ইসলাম জাহিদ-এর বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, নাগরিকদের সেবা প্রদানে বিলম্ব করাসহ আর্থিক অনিয়মের নানা অভিযোগ উঠে আসছে। পৌরসভায় সেবা নিতে আসা কয়েকজন নাগরিক অভিযোগ করেন অধিকাংশ সময় তিনি অফিসে না থেকে আর্থিক স্বার্থসিদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন ধান্দায় সে বিভিন্ন জায়গায় ব্যতিব্যস্ত থাকেন।
ইঞ্জিনিয়ার না হয়েও দীর্ঘদিন যাবত তিনি এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন। একটি অশুভ চক্রের মাধ্যমেও তিনি এই পৌরসভার নাম ব্যবহার করে এখন অনিয়ম ও  দুর্নীতির আখড়া গেড়ে বসেছে। 
তার একক আধিপত্য ও কুপ্রভাব বিস্তারের কারণে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে অন্যান্য অফিস স্টাফদেরকে চাপে রেখে অবৈধ ফায়দা হাসিল করে চলছে প্রতিনিয়ত।
বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে সাবেক পৌরমেয়রের সাথে যোগসাজসে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও স্থানীয়দের মধ্য থেকে আলোচিত হয়।
পৌরসভায় কোনো সচিব ও ইঞ্জিনিয়ার যোগদান করলে নানারকম নেতিবাচক ধারণা দেয়ার পাশাপাশি কৌশলে তাদেরকে অন্যত্র সরে যেতে বাধ্য করা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে পৌরমেয়র না থাকার সুযোগ সে আরও ভালোভাবে কাজে লাগাচ্ছে। এই গোপালপুর পৌরসভায় সচিব ও ইঞ্জিনিয়ার নেই। পৌরমেয়র না থাকায় স্বাভাবিক ভাবেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পৌর প্রশাসক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করছেন। এই সুযোগেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ভুলভাল বুঝিয়ে টেন্ডার বানিজ্য, মার্কেট বরাদ্দসহ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
তার স্ত্রীও বছরের অধিকাংশ সময় দেশ বিদেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণ করে বিলাসী জীবন যাপন করছেন। মো: জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনেকের সাথেই খারাপ আচরণ করে যাচ্ছেন । গোপালপুর থানার পেছনে তার নিজস্ব জায়গায় বাড়িও করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় নামে-বেনামে জমি ক্রয় করেছেন বলে স্থানীয়দের কৌতূহল তার এই অর্থের উৎস কোথায় !
অল্প কিছুদিন পূর্বেও তড়িঘড়ি করে কোটি টাকার টেন্ডার বানিজ্য করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেইসব কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়ে অনেক টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পৌর নাগরিক বলেন, নাটের গুরুর এইসব অপকর্ম যদি বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে প্রকাশ না হয় তবে তার লাগামহীন অবৈধ অর্থলিপ্সু কুটকৌশলী কার্যক্রম এভাবে ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মে অভিযুক্ত এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

আরও পড়ুন