কুলাউড়া কর্মধায় চি'হ্নিত মা'দ'ক ও চো'রা'কারবারি আব্দুল কালাম কুটন কতৃক জাসাস নেতাকে হু'ম'কি
মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম
কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি
কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের ফটিকগুলি গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের পুত্র একাধিক মামলার আসামি মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল কালাম কুটনের বিরুদ্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
তার একের পর এক মাদকের ছোবলে নষ্ট হচ্ছে স্থানীয় যুব সমাজ। কুটন ছাড়াও তার সহযোগী আরেক মাদক ব্যবসায়ী রজব আলীও দীর্ঘদিন থেকে যৌথভাবে পাশ্ববর্তী ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন মাদক সরবারহ করে এলাকায় ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব মাদক ব্যবসায়ীদের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকার সর্বস্তরের লোকজন। ইতিমধ্যে প্রতিকার চেয়ে এই ২ মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে স্থানীয় লোকজন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও এবং র্যাব বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ নিয়ে কুলাউড়া উপজেলা জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক স্থানীয় বাসিন্দা জুনেদ আহমদ ঝুনুর এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে এসব বিষয়ের প্রতিবাদ করলে কুটন তাকে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে। এ বিষয়ে ১১ জুন বৃহস্পতিবার রাতে ঝুনুর বাদী হয়ে মাদক ব্যবসায়ী কুটনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন।
স্থানীয় এলাকায় চুরি ছিনতাই রাহাজানি ছাড়াও মাদক ব্যবসায় এ’দুজনের নাম প্রশাসনের কাছে উঠে আসলেও পুলিশের অভিযানে সে প্রায় সময় পালিয়ে বেঁচে যায়। সাম্প্রতি কিছুদিন আগে মাদক ব্যবসায়ী কুটনের বাড়িতে ইয়াবা রয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় বিজিবি সদস্যরা হানা দিলে চতুর কুটন পালিয়ে গেলেও তার সহযোগী রজব আলীকে প্রায় ৪ হাজার পিছ ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
এ ছাড়াও গত ২ এপ্রিল ভারতীয় সিগারেট রাখার অপরাধে মৌলভীবাজার আদালতে পুলিশ বাদী হয়ে এ’দুজনের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয় । এছাড়াও মাদক ব্যবসায়ী কুটনের বিরুদ্ধে তার আপন বোনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় খলিল, সোহাগ, ও জুনাব জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে এ’দুজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এরা গরু চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে প্রকাশ্যে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই মাদক ব্যবসায়ীদের যদি নির্মূল করা না যায়, তাহলে এলাকায় দিন দিন মাদক সেবিদের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। এজন্য তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এব্যাপারে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ সব সময় সোচ্চার আছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ জিরো ট্রলারেন্স আগেও দেখিয়েছে এখানো আছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খোঁজ নিয়ে শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।