মিঠামইনে আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য ঢাকা থেকে গ্ৰেফতার
বিজয় কর রতন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন থানা পুলিশের এস,আই মাসুদ রানা ও জেলা গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মিঠামইন থানার ওসি মোহাম্মদ লিয়াকত আলীর পরিকল্পনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ ই জুন সোমবার দিনের ২ টায় ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের সদস্য মোহাম্মদ জুলহাস (৪৫) ও ইছানুল হক (২৮) কে গ্ৰেফতার করে । পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য মতে একই দিন রাত ১০ টায় মিঠামইন থানা এলাকা থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার ও ২০ টি দেশীয় অস্ত্র সহ অপর সহযোগী রুবেল ( ২৬) কে গ্ৰেফতার করে মিঠামইন থানা পুলিশ।
গ্ৰেফতার কৃত , ৩ জনের মধ্যে জুলহাসের বাড়ি মিঠামইন উপজেলার কাটখাল ইউনিয়নের কাজীপাড়া গ্ৰামে । সে মৃত ইসমাইল হোসেনের পুত্র। এহসানুল হক ( ২৬) গোপ দিঘী ইউনিয়নের বজকপুর গ্ৰামের হারিস মিয়ার পুত্র। রুবেল মিয়া ঢাকী ইউনিয়নের বড়কান্দা গ্ৰামের মধু পাড়ার মধু মিয়ার পুত্র। তাদের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা মামলাসহ মাদক ও চুরি ডাকাতির মামলা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ ই জুন মিঠামইন ঘাট থেকে ২০-২২ জন যাত্রী নিয়ে করিমগঞ্জ থানার বালী
কলা ঘাটের উদ্দেশ্য রওনা দেয়। যাওয়ার সময় পথে বৈরি আবহাওয়ায় কারনে হাসানপুর সেতুর দক্ষিণ পাশে ট্রলার খানি নোঙ্গর করে । আনুমানিক ২০ মিনিট অবস্থানের পর আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে , যাত্রীবাহী ট্রলার খানি পুনরায় বালীকলার উদ্দেশ্য রওনা দেয়। কিছু দূর যাওয়ার পর, ১০-১২ জনের একটি ডাকাত দল ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে দেশীয় অস্ত্র সহ যাত্রীবাহী ট্রলারে হামলা চালায়। ডাকাতরা যাত্রীদের খুন করার ভয় দেখিয়ে নগদ ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা , ৫ টি স্মার্ট ফোন সহ মোট ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়। পরে নৌকার মাঝি জামাল মিয়া বাদী হয়ে মিঠামইন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৯ ।
মিঠামইন থানার ওসি লিয়াকত আলী জানান, মাদক ও ডাকাত দস্যুতার সাথে কোন আপস নেই। ডাকাত দলের বাকি সদস্যদের গ্ৰেফতারের চেষ্টা চলছে । এ ব্যাপারে ডাকাতদের বিরুদ্ধে নৌকার মাঝি জামাল মিয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। গ্ৰেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।