কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার ৭ সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)।
সোমবার (৬ জুলাই) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জারি করা স্মারক নং ৩৪.০৩.০০০০.০০০.০০৬.০৫.০০২৪.২৬.৮৪৮ অনুযায়ী এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত কমিটিতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসককে সভাপতি এবং জেলার অন্যতম ক্রীড়া সংগঠক জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসরাইল মিঞাকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের ক্রীড়া-সংগঠক হিসেবে মাঠপর্যায়ে তাঁর অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা জেলার ক্রীড়া অঙ্গনে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।
অ্যাডহক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা এবং স্থানীয় ক্রীড়াবিদ মো. আতিকুর রহমান।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নবগঠিত এ কমিটি জেলার ক্রীড়া প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশ, নিয়মিত প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং জাতীয় পর্যায়ে কিশোরগঞ্জের ক্রীড়াকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন এ নেতৃত্বের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাবে এবং জেলার খেলাধুলার ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত হয়ে ভবিষ্যতে জাতীয় ক্রীড়ায় আরও উজ্জ্বল অবদান রাখবে।
কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে হাজী ইসরাইল মিয়া বলেন, ‘আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখে কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিবের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, সে জন্য আমি বিএনপির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি এবং পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলামের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও গভীর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
আমি বিশ্বাস করি, তাঁদের দিকনির্দেশনা ও সকল ক্রীড়া-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সহযোগিতায় কিশোরগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও গতিশীল, সুশৃঙ্খল ও সমৃদ্ধ করে তুলতে নিষ্ঠা, সততা এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে সক্ষম হব। জেলার ক্রীড়ার সার্বিক বিকাশ, প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং ক্রীড়াকে জনমুখী করে তুলতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করব, ইনশাআল্লাহ।’