মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ

কালিয়াকৈরে আলোকিত পিচ্চি আব্বাস ১৮ মামলার আসামি গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক ৩১ July ২০২৬ · Friday · ০৮:৫৮ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে আলোকিত পিচ্চি আব্বাস ১৮ মামলার আসামি গ্রেফতার

কালিয়াকৈর (গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার আলোচিত চাঁদাবাজ ও ১৮টি মামলার আসামি আকাশ ওরফে ‘পিচ্চি আকাশ’ (২৭)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গলে লুকিয়ে রাখা দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপারের সার্বিক দিকনির্দেশনায়, কালিয়াকৈর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে জামালপুর সদর উপজেলার কামালখান ইউনিয়নের তিতপল্লা এলাকার একটি তিনতলা ভবন থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

শুক্রবার (৩১ জুলাই) তাকে আদালতের মাধ্যমে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তারকৃত আকাশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র, ডাকাতির প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৮টি মামলা রয়েছে। 

তিনি ও তার সহযোগীরা মোটরসাইকেলে বিভিন্ন শিল্পকারখানায় গিয়ে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করতেও সাহস পেতেন না।

গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ হরতকীতলা এলাকায় গ্রামীণ ইন্ডাস্ট্রিজের বিপরীতে জঙ্গলের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র লুকিয়ে রাখার তথ্য দেন। পরে তার দেখানো স্থান থেকে পুলিশ তিনটি বড় হাসুয়া, একটি বড় ছেনি, একটি চাপাতি, একটি কাঠের লাঠি ও একটি লোহার পাইপ উদ্ধার করে জব্দ করে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পৃথক একটি অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

একই অভিযানে আকাশের সহযোগী নাদিম (২২), সুমন হোসেন (২২), লিমন হোসেন (২৪), বাবু আলী (৩২) ও নাইবুল ইসলাম (৪৫)-কেও গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তারা কালিয়াকৈরের জমিদারী হোটেলে ডাকাতির প্রস্তুতির ঘটনায় জড়িত। তাদের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

এছাড়াও বিভিন্ন মামলার আসামিদের কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “অপরাধ দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

আরও পড়ুন