ডা. হ্যানিম্যানের ২৭১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
সঞ্জিত চন্দ্র শীল, নিজস্ব প্রতিবেদক :
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ২৭১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে “কিশোরগঞ্জ এলাইড সোসাইটি অব হোমিওপ্যাথ (KASH)” এর উদ্যোগে গতকাল ১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ৯ঘটিকায় কিশোরগঞ্জ জেলা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত - প্রশাসক কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন - ডা. মোহাম্মদ আতিকুল সরোয়ার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সরকারি হোমিওপ্যাথিক কলেজ ঢাকা, মোঃ মেহেদী হাসান তত্ত্বাবধায় ওষুধ প্রশাসক কিশোরগঞ্জ,
ডাঃ শুভ্রত চন্দ্র সরকার, ডাঃ সঞ্জিত চন্দ্র শীল, ডাঃ বিশ্বজিৎ কর কাজল,ডাক্তার আব্দুস সবুর খান, ডাঃ সুজন চন্দ্র চক্রবতী প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ডা. মোহাম্মদ ইমরান হাসান রকি সভাপতি কিশোরগঞ্জ এলাইড সোসাইটি অব হোমিওপ্যাথ, এবং সঞ্চালনা করেন ডা. মোহাম্মদ সানাউদ্দিন সাধারণ সম্পাদক কিশোরগঞ্জ এলাইড সোসাইটি অব হোমিওপ্যাথ।
আয়োজকরা বলেন- হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির গুরুত্ব ও এর আধুনিক প্রয়োগ নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার বিভিন্ন দিক, এর কার্যকারিতা, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এছাড়াও, অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকরা সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আলোচনা সভাকে সফল করার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য,ক্রিস্টিয়ান ফ্রিডরিখ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান (জার্মান: [ˈhaːnəman]; ১০ এপ্রিল ১৭৫৫ - ২ জুলাই ১৮৪৩) জার্মানির একজন বিখ্যাত চিকিৎসক ছিলেন, তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার আবিষ্কারক।
হোমিওপ্যাথি হ্যানিম্যান ১৮০৫ সালে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা চালু করেন। ১৮১০ সালে চিকিৎসা নিয়মাবলী সংক্রান্ত গ্রন্থ অর্গানন অব রেসনাল হেলিং আর্ট (Organon der rationellen Heilkunde) জার্মানি ভাষায় প্রকাশ করেন[১] যা পরবর্তীকালে অর্গানন অব মেডিসিন নামে প্রকাশিত হয়। তিনি ১৮১২ সালের ২৯ শে সেপ্টেম্বর হতে ১৮২১ সাল পর্যন্ত লিপজিগ বিশ্বিবিদ্যালয়ে হোমিওপ্যাথি বিষয়ে শিক্ষা দান করেন।। কথ্বেনে এসে সাফল্য পান। তিনি ১৮৩৫ সালের জুন মাসে জার্মানি ছেড়ে প্যারিসে বসবাস শুরু করেন এবং ১৮৪৩ সালে প্যারিসেই মৃত্যুবরণ করেন।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে - খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল বলেন - হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা প্রসারের লক্ষে উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে গ্রাম গঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের এ সেবা দৌড় গোড়ায় পৌঁছে দিতে হোমিও চিকিৎসকদের আরও গতিশীল ও কল্যানকর ভুমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এবং জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।