বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ

ভৈরবে যুবলীগ নেতা সৈকত হ/ত্যা: তিন দিন পর ২৩ জনের বি/রু/দ্ধে মা/ম/লা

অনলাইন ডেস্ক ২৭ August ২০২৬ · Thursday · ০৮:১৬ অপরাহ্ণ
ভৈরবে যুবলীগ নেতা সৈকত হ/ত্যা: তিন দিন পর ২৩ জনের বি/রু/দ্ধে মা/ম/লা

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে যুবলীগ নেতা আল-আমিন সৈকত (৪৩) হত্যার ঘটনায় তিন দিন পর ২৩ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে নিহতের স্ত্রী তানিয়া খানম বাদী হয়ে ভৈরব থানায় মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার কোনো আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি; তারা পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এজাহারে নাম উল্লেখ করা আসামিদের মধ্যে নিহতের চাচা ও তিন চাচাতো ভাই রয়েছেন। এ ছাড়া অন্য আসামিরাও নিহতের পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ আগস্ট রাত পৌনে ১২টার দিকে ভৈরব বাজারের টিনপট্টি এলাকায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে আল-আমিন সৈকতের ওপর হামলা করা হয়। এ সময় আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের সঙ্গে তার চাচা ও চাচাতো ভাইদের দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী তানিয়া খানমের অভিযোগ, ওই বিরোধের জেরেই পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

আল-আমিন সৈকত ভৈরব পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভৈরব চেম্বারের সাবেক পরিচালক এবং জেলা সার সংগঠন বিএফএ’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ভৈরব বাজারে তার একটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। পাশাপাশি তিনি সার ও রাইস মিল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

নিহতের স্ত্রী ও মামলার বাদী তানিয়া খানম বলেন, “আমার স্বামীর সঙ্গে তাঁর চাচা ও চাচাতো ভাইদের বিরোধ ছিল। তাঁদের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের নিয়ে আমার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর আগে আমার স্বামী এসব কথা বলে গেছেন। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করে তিন দিন পর মামলা করেছি। আমি আমার স্বামীর হত্যাকারীদের কঠোর বিচার দাবি করছি।”

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনার তিন দিন পর নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে বুধবার মামলাটি করেছেন। এজাহারে আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। মামলার তদন্তের পাশাপাশি হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

আরও পড়ুন