শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ

মিথ্যা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ কে সাময়িক বরখাস্ত

Admin ১৮ September ২০২৬ · Friday · ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
মিথ্যা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ কে সাময়িক বরখাস্ত
মিথ্যা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ কে সাময়িক বরখাস্ত

অনলাইন ডেক্স:- সাম্প্রতি অসদাচরণের অভিযোগে পুলিশের সাবেক সুপার নিউমারি অতিরিক্ত ডিআইজি (সাবেক পুলিশ সুপার)  মোঃ আপেল মাহমুদ-কে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা -১ শাখার থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সামরিক বরখাস্ত কালীন সময়ে তিনি রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকবেন এবং তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ্য ভাতা প্রাপ্ত হবেন। তবে এবার বের হয়ে আসলো তার নেপথ্যে কি ছিল। আসল অজানা কাহিনী। 
ঘটনাটি সূত্রপাত ২০১২ সালে  ৮ই ডিসেম্বর আলোচিত পলাশ দাশ হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে বর্তমান সংসদের হইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নাটোরে সংসদ সদস্য থাকা কালে গ্রেফতার হন।  
তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এর নেতৃত্বে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। 
সার্কেল এসপি হওয়ার কারণে 
আপেল মাহমুদ সেদিন শুধুমাত্র উপস্থিত  ছিলেন। তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা  মামলা রুজু করে পলাশ হত্যা মামলা কে কেন্দ্র করে। তাকে রিমান্ডে আনা হয়। 
হত্যা মামলায় সংযোজন করা হয়েছিল 
তৎকালীন পুলিশ সুপারের নির্দেশে 
এ আলোকে আপেল মাহমুদকে শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্য 
ব্যক্তিগত আক্রমণ বসত  হুইপ দুলু -কে গ্রেফতারের কারণে  আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাসঙ্গিক কোনো বক্তব্য না পাওয়া গেলেও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে জনাব আপেল  মাহমুদকে বানানো হয় আওয়ামী  ফ্যাসিবাদী ও দোসর বানিয়ে 
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু কেবল 
একতরফা ভাবে আপেল মাহমুদ'র বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।
কিন্তু এই অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা না থাকলেও কেবল হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার -কে খুশি করার জন্য 
রাজনৈতিক অপ- প্রচেষ্টার ক্ষমতা অপব্যবহারের নমুনা স্বরূপ আপেল মাহমুদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। 
এবং রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু -কে অসাধারণ আচরণ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগে আপেল  মাহমুদকে  সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। যা সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের অধিকার রাখে। এবং সাক্ষ্য প্রমাণের অভিযোগ রাখে।আইন বহিভূত। এদিকে 
পরবর্তীকালে আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে রিমান্ডে নির্যাতন, অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপিত হয়। তবে তাঁর পক্ষের বক্তব্য হলো, প্রাথমিক অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের সমর্থনে পর্যাপ্ত প্রত্যক্ষ ও documentary evidence পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে কোনো অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নথি, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য, কল রেকর্ড, CCTV বা আর্থিক লেনদেনের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে তিনি সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, সেগুলোর সত্যতা বিভাগীয় তদন্ত ও প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী যথাযথভাবে নির্ধারিত হওয়াই ন্যায়বিচারের স্বাভাবিক দাবি করছেন অনেকেই। তবে চৌকস দক্ষ এই পুলিশ কর্মকর্তা - পর্যটন নগরী কক্সবাজারে দায়িত্ব পালন কালীন সময়ে কর্মক্ষেত্রে  বিশ্বজুড়ে প্রশংসা ও সুনাম কুড়িয়েছেন। আপেল মাহমুদ -কে ঘিরে একাধিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তার এ সংক্রান্ত পোষ্টে হাবিব আল হাসান নামের একজন কমেন্টে বলেন, আপেল স্যার একজন চৌকস দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে এসব ব্যাক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছুই না। ফাহিম আরমান নামের এক ভদ্রলোক লিখেন তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তার কর্মময় সাফল্য আজও আমরা গর্বিত তাই এসব রাজনৈতিক প্রতিহিংসা না করে একজন সৎ পুলিশ অফিসার কে তার কর্তব্য পালন করতে দেয়ার জন্য তিনি বর্তমান সরকারের কাছে দাবি জানান। গোলাম সারোয়ার নামের এক বয়োবৃদ্ধ লোক আপেক্ষপ করে লিখেন, এ দেশে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান যদি রাজনৈতিক রোষানলে পড়তে হয় তার থেকে দুঃখের আর কিছুই নেই এ স্বাধীন দেশে। এতে করে পুলিশের কর্মকান্ডে মনোবল নষ্ট হচ্ছে বলে জানান তিনি।তবে সচেতন মহলের দাবি " আপেল মাহমুদ 'র মত একজন চৌকস দক্ষ পুলিশ -কে এভাবে মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে সামরিক বরখাস্ত করা। হেনস্তা ছাড়া আর কিছুইনা।

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

আরও পড়ুন