নিকলী থানার মানবিক ওসি রফিকুল ইসলামের সৃজনশীলতায় বেড়েছে সেবার মান,বদলে গেছে থানার চিত্র
নিজস্ব প্রতিবেদক,কিশোরগঞ্জ :
কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা নিকলী থানার অফিসার ইনচার্জ মানবিক ওসি মো:রফিকুল ইসলামের কর্মদক্ষতা ও সৃজনশীলতায় বদলে গেছে নিকলী থানার চিত্র। যোগদানের প্রায় ২ মাসের মধ্যেই সৎ চিন্তা ও আধুনিক রুচিশীলতার কারণে পুলিশের আচরণ যেমন পাল্টেছে তেমনি বদলে গেছে থানার চিত্র।
থানায় সেবার মান বেড়েছে তা ছাড়া বর্তমানে থানায় সেবা নিতে কোনো টাকা লাগে না। থানার বিভিন্ন স্থাপনার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও দৃষ্টিনন্দন করতে এবং সহজেই মানুষকে সেবা দিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন ওসি রফিকুল ইসলাম।
থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ শান্তিপূর্ণ বজায় রাখতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি সহকর্মী পুলিশ সদস্যদের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করছেন। ব্যক্তি হিসেবে মো: রফিকুল ইসলাম সদালাপী এবং মিষ্টভাষী। তার আচরণ ও কাজকর্মে আধুনিক পুলিশের ছোঁয়া পরিলক্ষিত হয়।
থানায় সেবা নিতে আসা সেবাগ্রহীতা ও সহকর্মীরা তার আচরণে সন্তুষ্ট। মানবিক দ্বায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বেআইনি কর্মকান্ড বন্ধে তিনি সজাগ।যেকোন অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা প্রস্তুত তিনি।ওসি রফিকুল ইসলামের প্রচেষ্ঠায় পুলিশ জনগণের সেবক এই মন্ত্রে উজ্জীবিত নিকলী থানা পুলিশের সকল সদস্য।
তাঁর সততা,উদারতা,ন্যায়পরায়ণতা, কর্মনিষ্ঠতা, নিরহংকারী, নির্ভীক, যেকোন শ্রেণীর মানুষের সাথে সৌহার্দপূর্ণ আচরণ অসহায় মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালবাসা নিকলী উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে মুগ্ধ করেছে। তিনি ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে নিকলী থানায় যোগদান করার পর থেকে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দিক নির্দেশনায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ,সাধারন মানুষ কে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা,প্রতি সপ্তাহে বিট পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা,চুরি ডাকাতি,নারী শিশু নির্যাতন, জুলুমবাজ,সন্ত্রাসী,দখলবাজ, মাদক নির্মূল, চাঁদাবাজি, ছিনতাইকারী, ইভটিজিং বাল্য বিবাহ, অপহরণকারী, জাল টাকা ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন।জাতীয় নির্বাচনেও অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করতে তার ভূমিকা ছিলো অপরিসীম।
তিনি নিকলী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে যে কোনো অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেন।বিশেষ করে ইভটিজিং বন্ধে ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক ও শিক্ষকদের করণীয় সম্পর্কে দিক নির্দেশনা দেন।এছাড়াও প্রত্যন্ত এলাকার বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে জুম্মার নামাজ আদায় শেষে মুসল্লীদেরকে বাল্যবিবাহ,মাদক জুয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকান্ড বন্ধ,আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে বিভিন্ন জন কল্যাণমুখী কাজের মাধ্যমে একের পর এক পারদর্শীতা দেখিয়ে প্রশংসিত হয়ে উঠেছেন সর্বস্তরের মানুষের কাছে।কনকনে শীতের গভীর রাতে নিকলী উপজেলার প্রত্যন্ত দুর্গম এলাকায় গিয়ে গ্রাম পুলিশ ও বাজার পাহারাদারদের সাথে মতবিনিময় ও স্থানীয় এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রেখেছেন।
ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, আইনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা বোধ রেখে, দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে কিশোরগঞ্জ জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার আমাদের অভিভাবক ড.এস এম ফরহাদ হোসেন স্যারের দিক নির্দেশনায় নিজের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে যাচ্ছি।পুলিশের পোশাক যেদিন থেকে পড়েছি, সেদিন থেকেই মানুষের সেবা করার শপথ নিয়েছি। আমার পেশাগত দ্বায়িত্ব পালন করে সুজলা সুফলা ক্ষুদা দারিদ্র মুক্ত সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন আমরা দেখি তাতে যেন অবদান রাখতে পারি সে জন্য সবার দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করি।