ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রনয়নে অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না-বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এমপি
বিজয় কর রতন,হাওর অঞ্চল প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জ -৪ আসনের এমপি মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রনয়নে কোন অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। দলমত নির্বিশেষে তালিকা প্রনয়ন করতে হবে। তিনি প্রসাশনের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, একটি মাত্র বোরো ফসল হাওরে এটি কৃষকদের জীবন মরণ জড়িত। কাজেই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত যারা তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত তালিকা করার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী কৃষকদের কার্ডের মাধ্যমে ৩ মাস খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। প্রাথমিক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সঠিক ভাবে নিরুপন করা না গেলেও যদি ভবিষ্যতে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে পরে আবারো তালিকা প্রস্তুত করার ব্যবস্থা করা হবে। তিনি কৃষি মন্ত্রণালয় ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে কথা বলছেন। তিনি দলীয় নেতৃবৃন্দ কে নির্দেশ দেন হাওরে কৃষকদের ধান কাটার জন্য টিম গঠন করে কৃষকদের সহায়তা করতে হবে। শ্রমিক দলসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠন এ কাজ করবে । তিনি মিঠামইন উপজেলার কাটখাল ইউনিয়নে মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, সেখানে একটি মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে বলেন, এলাকাটি ভিজিট করে এর একটি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। অন্যদিকে মিঠামইন থেকে মরিচখালি পর্যন্ত উড়াল সেতু নির্মাণের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি গোষ্ঠী সরকার কে দায়ী করছে । বিষয়টি মিথ্যা। বিগত ইউনুস সরকারের আমলে ২৫ শে সেপ্টেম্বর এই উড়াল সেতু প্রকল্প স্থগিত করে প্রাথমিক বরাদ্দ নিয়ে যায়। বর্তমানে জেলা সদরের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে হলে সেতুটি প্রয়োজন। তিনি বলেন, আপনারা এলাকাবাসী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা আপনারা চাইলে উচ্চ পর্যায়ে কথা বলার আশ্বাস দেন। শুক্রবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসকল কথা বলেন। এর আগে সকাল ১১ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য সেফটি দিবস উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। শুক্রবার পহেলা মে মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা ও মে দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ বিন -শফিক। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওবায়দুল ইসলাম অপু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী ফাইজুর রাজ্জাক, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মামুন মজুমদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর, মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিয়াকত আলী, প্রমুখ।
পরে তিনি নিজ বাড়ি ইটনার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পথে হাওরে তলিয়ে যাওয়া বোরো জমি পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের সাথে কথা বলেন।