রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬
আইন-আদালত

মিঠামইনে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

Admin ০৭ June ২০২৬ · Sunday · ০৬:৪৯ অপরাহ্ণ
মিঠামইনে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরিতে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে আজ শনিবার ৭ ই জুন গোপদিঘী তে মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। গোপদিঘী ইউনিয়নের শতাধিক কৃষক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়।‌ পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় জেলায় অবস্থান করছিলেন। স্বারকলিপি খানি রিসিভ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধনের সময় বক্তব্য রাখেন, মোঃ আব্দুল হাই( বিএনপি নেতা) মোঃ ফাইজুল মিয়া, লুৎফর মিয়া, নুরুল হক, প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, গোপদিঘী ইউনিয়নের ৩ শত ৬২ জন ক্ষতিগ্রস্ত তালিকা প্রনয়ন করা হয়েছে। তার মধ্যে ৫০ জন রয়েছেন তারা কৃষক নন। এছাড়াও একই পরিবারের ৩ -৪ জনের নাম, ২ জন প্রবাসী ও রয়েছেন তালিকায়। তারা হলেন , জুলকি মিয়া সৌদি আরব, ও মাসুম হায়দার মালয়েশিয়া বসবাস করছেন। এসকল তালিকার সময় ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তালিকা তৈরি করেন । তারা তাজুলের অপসারণ সহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। 

এ ব্যাপারে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তাজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি মাত্র ২৫ টি নাম দিয়েছেন। বাকী নাম গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও বিএনপি নেতৃবৃন্দরা দেন । তিনি কোন অনিয়ম দুর্নীতি করেননি তিনি যেসকল নাম দিয়েছেন যাচাই বাছাই করেই দিয়েছেন। 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাদিকুর রহমান ও প্রশাসক গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন , তালিকা নিয়ে গোপদিঘী তে মিছিল হয়েছে। আজ মিঠামইন স্বারকলিপি প্রদান করেছেন সেটা আমি জানি না। কিন্তু তালিকা প্রনয়ন করছে গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও কিছু রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সহ ব্লক সুপারভাইজার। তিনি বলেন, ইউএনও মহোদয়ের মাধ্যমে গোপদিঘীতে  প্রথম দিন কৃষকদের আর্থিক সহায়তা ও চাল বিতরণ উদ্বোধন করেন। তিনি প্রায় ৩ শত ৫ জনের মধ্যে সঠিকভাবে আর্থিক সহায়তা বন্টন করেছেন। তখন কোন অভিযোগ আসেনি। যে মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা  করার নির্দেশ এসেছিলো তখন সময় একেবারে কম ছিল। অধিকাংশ কৃষক তাদের জমি নিয়ে মাঠে ব্যাস্ত ছিলেন। ওই সময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ব্লক সুপারভাইজার,ও নেতৃবৃন্দরা তালিকা করেছেন। এরপরেও অনেকেই বাদ পড়েছেন এটা সত্য। যতটুকু পেরেছি যাচাই বাছাই করে অর্থ ও চাল প্রদান করার চেষ্টা করেছি। কোন অনিয়ম ধরা পড়লে সে সাহায্য পাবে না। 

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

আরও পড়ুন