করগাঁও ইউনিয়নের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে তাদের কল্যাণে কাজ করবো-শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক বিপুল ভোটে নির্বাচিত করগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ বলেছেন,আগামী দিনে করগাঁও ইউনিয়নের জনগণের সমর্থন নিয়ে আমি আবারো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে করগাঁও ইউনিয়নকে আধুনিকায়ন করে সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।একান্ত আলাপচারিতায় এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।তিনি বলেন,আমার বাবা মরহুম শাফি উদ্দিন লস্কর করগাঁ ইউনিয়নের সাবেক ৩ বারের চেয়ারম্যান ছিলেন।তিনি ১৯৪৬ সালে ঐতিহ্যবাহী করগাও ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। আমার বড় ভাই মরহুম হুমায়ুন কবির লস্কর করগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন।বিএনপি সরকার বর্তমানে ক্ষমতায় থাকায় আমি আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে করগাঁও ইউনিয়নকে আধুনিকায়ন করে সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।যেখানে সকল নাগরিকের শিক্ষা,স্বাস্থ্য,কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে’। এদিকে দলীয় ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে,শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ সব সময় অসহায় ও বিপদ গ্রস্থ সহ এলাকার সকল মানুষের পাশে ছিলেন। সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনপ্রিয়তা: শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ১৯৮৫ সালে জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে ছাত্ররাজনীতি শুরু করেন।১৯৮৮ সাল পর্যন্ত জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন।১৯৯১ সালে কটিয়াদি উপজেলা যুবদলের সদস্য নির্বাচিত হন।১৯৯৯ সালে বিনাপ্রতিদ্বন্দীতায় করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক নির্বাচিত হন।পরে ২০০১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে আবারো বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় করগাও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২ বছর সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করে পুনরায় করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক নির্বাচিত হন।২০০৪ সালের ডিসেম্বরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনরায় করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।২০০৭ সালে কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক নির্বাচিত হন।তৎকালীন সময় উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ছিলেন বিএনপি নেতা আশফাক আহমেদ জুন। ২০১০ সালে আবারো করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও পরে নির্বাচিত সভাপতি হন। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ছিলেন।২০১৭ সালে পুনরায় করগাও ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক নির্বাচিত হন।২০২১ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আবারো করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।বর্তমানে তিনি করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির গুরু দ্বায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের বিপুল ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।
তার শাসনামলে এলাকার মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পেরেছে বলে জানিয়েছে।বিগত সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অসহায় মানুষের পাশে গভীরভাবে ছায়া হয়ে আছেন তিনি। শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ঐতিহ্যবাহী করগাঁও ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির ৩ বার সভাপতি পরে আবার নির্বাচিত ৩ বার সভাপতি ছিলেন।তিনি করগাঁও বাজার বণিক সমিতির ২০০১ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত টানা ২১ বছর সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন।এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত।এলাকার অসহায় মানুষদের তিনি আর্থিকভাবে সহযোগীতা করে আসছেন ছাত্ররাজনীতির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত। শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পালনে তার সাংগঠনিক দক্ষতা দেখিয়েছেন।দলের কঠিন দু:সময়ে সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তাদের সুখে-দুখে পাশে থাকার কারণে দলের বিশাল সকল অংশ তাকে আগামী দিনে আবারো ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। ক্লিন ইমেজ ও আগামীর প্রত্যাশা: বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন ‘ক্লিন ইমেজ’ এবং ‘পরিক্ষিত’ নেতাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন,তখন তার বিরুদ্ধে এলাকায় কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বা বিশৃঙ্খলার অভিযোগ নেই, যা বর্তমান সময়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে অত্যন্ত জরুরি। সার্বিক বিষয়ে কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ বলেন,‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত নেবেন,যে দ্বায়িত্ব আমাদের উপর অর্পণ করবেন আমরা সেটাই মেনে নিয়ে আমার এলাকার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে তাদের কল্যাণ ও শান্তি সুখের জন্য কাজ করবো ইনশাআল্লাহ'।