শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ

বটিয়াঘাটার দুই খেয়াঘাটে চরম দুর্ভোগ, মরণফাঁদে পরিণত পারাপার

Admin ২২ April ২০২৬ · Wednesday · ০১:৫১ অপরাহ্ণ
বটিয়াঘাটার দুই খেয়াঘাটে চরম দুর্ভোগ, মরণফাঁদে পরিণত পারাপার
নদী ভরাটে ঝুঁকি বাড়ছে, সাঁকো না থাকায় বিপাকে হাজারো মানুষ

মো: আল-মাহফুজ শাওন,খুলনা

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার রায়পুর বারোআড়িয়া ও ফুলবাড়ী বারোআড়িয়া—এ দুই গুরুত্বপূর্ণ খেয়াঘাট এখন সাধারণ মানুষের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় ঘাট দুটিতে স্বাভাবিক নৌপথে পারাপার ব্যাহত হচ্ছে, ফলে ঝুঁকি নিয়ে হাঁটু পর্যন্ত কাপড় তুলে পার হতে হচ্ছে যাত্রীদের।

এ দুটি ঘাট দিয়ে উপজেলার সুরখালী ইউনিয়নসহ পাশ্ববর্তী ডুমুরিয়া, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার হাজারো মানুষ স্বল্প সময়ে কম খরচে খুলনা জেলা শহরে যাতায়াত করে থাকেন। প্রতিদিন মায়েদের পাশাপাশি চাকুরীজীবী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর ঘাট দুটির ইজারাগ্রহীতারা যাত্রীদের সুবিধার্থে নদীর দুই তীরে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু নতুন ইজারার পর পুরনো ইজারাদাররা সেই সাঁকো খুলে নিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

বর্তমানে বারোআড়িয়া এলাকার রতন কুমার দাশ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকায় ঘাটের ইজারা নিয়ে পারাপারে যাত্রীপ্রতি ৫ টাকা করে আদায় করছেন। তবে সাঁকো না থাকায় যাত্রীদের নিরাপদ পারাপারের কোনো ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে পাশের কৈয়া বাজার ও গাওঘরা ঘাটে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মিত সাঁকো এখনো বহাল থাকলেও বারোআড়িয়া ঘাটে তা না থাকায় ঝুঁকি বহুগুণ বেড়েছে।

ঘাটের ইজারাদার জানান, সাঁকো নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে মৌখিকভাবে আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থান্দার কামরুজ্জামান বলেন, সরকারি বরাদ্দ না থাকায় ইজারাদারদের নিজ উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

আরও পড়ুন

মিথ্যা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ কে সাময়িক বরখাস্ত

মিথ্যা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ কে সাময়িক বরখাস্ত

অনলাইন ডেক্স:- সাম্প্রতি অসদাচরণের অভিযোগে পুলিশের সাবেক সুপার নিউমারি অতিরিক্ত ডিআইজি (সা...

১৮ September ২০২৬ · Friday · ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ