রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬
সারাদেশ

তনু হত্যা: ১০ বছর পর আসামি আটকে চাঞ্চল্য, ময়নাতদন্ত নিয়ে ব্যাখ্যায় ডা.কামদা প্রসাদ সাহা

Admin ২৮ April ২০২৬ · Tuesday · ০২:৪৫ অপরাহ্ণ
তনু হত্যা: ১০ বছর পর আসামি আটকে চাঞ্চল্য, ময়নাতদন্ত নিয়ে ব্যাখ্যায় ডা.কামদা প্রসাদ সাহা
তনু হত্যা: ১০ বছর পর আসামি আটকে চাঞ্চল্য, ময়নাতদন্ত নিয়ে ব্যাখ্যায় ডা.কামদা প্রসাদ সাহা

মো: আল-মাহফুজ শাওন 

কুমিল্লার বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর পর এক আসামি আটকের ঘটনায় দেশজুড়ে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তৎকালীন -এর ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি তনুর দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত এবং সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। পোস্টে তিনি জানান, গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে যে সমালোচনা, গালাগালি, হুমকি ও চরিত্রহনন চলছে, তা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

ডা. কামদা প্রসাদ সাহা উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালে তিনি -এর ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সে সময় -এর শিক্ষার্থী -র মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আনা হয়। তিনি জানান, প্রথম ময়নাতদন্ত কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকই সম্পন্ন করেন এবং প্রতিবেদন জমা দেন।

পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় দফায় গঠিত তিন সদস্যের কমিটির প্রধান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন বলে জানান ডা. সাহা। তার দাবি, তিনি কেবল সরকারি দায়িত্ব পালন করেছেন, ব্যক্তিগতভাবে ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

পোস্টে তিনি আরও বলেন, “আমি কি কোনো অপরাধ করেছি? আমি শুধুমাত্র চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। দেশ ছেড়ে পালানোর প্রশ্নই আসে না।” অভিযোগের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, কোনো গোষ্ঠী ব্যক্তিগত স্বার্থে তাকে টার্গেট করছে কি না—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

ডা. সাহা অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে হত্যার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত জীবন, পেশা, পরিবার ও সামাজিক অবস্থানকে হুমকির মুখে ফেলেছে। তিনি বলেন, “আমি এখন নিজের জীবন নিয়েও শঙ্কিত।”

শেষে তিনি বিষয়টির বিচার জনগণের ওপর ছেড়ে দিয়ে প্রশ্ন রাখেন—তার সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে কি না, এবং যদি হয়ে থাকে, তবে এর দায়ভার কে নেবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে  এলাকায় সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার হয়, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। সম্প্রতি মামলার অগ্রগতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

আরও পড়ুন