ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত দাখিল পরীক্ষার্থী নোহা আক্তার বিণা বাঁচতে চায়
ইমরান হোসেন, কিশোরগঞ্জ:
এসএসসি অথবা দাখিল পরীক্ষার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। যার এই সময় আট দশজন ছাত্র-ছাত্রীর মতো পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা আর সেই সময় তিনি ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে মাথার যন্ত্রণায় বিছানায় ছটফট করছে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বগাদিয়া তালতলা গ্রামের আব্দুল সালামের মেয়ে নোহা আক্তার বীণা। তিনি শহরের নগুয়া আয়শা আহাদ দাখিল মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী। বাবা-মার অভাব অনটনের সংসার। বাবা মাটির কাজ করে কোন রকম সংসার চালায়। যেটুকুই সম্বল ছিল তাও চিকিৎসায় ফুরিয়ে গেছে। দারিদ্রের সংঙ্গে লড়াই করে চিকিৎসা চালালেও এখন প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসার। যার জন্য দরকার বিপুল অর্থ। প্রশাসনসহ বিত্তবানদের পাশে দাড়ানোর আবেদন নোহা আক্তার বিণার পরিবারের। তবুও হাল ছাড়েননি এই দাখিল পরীক্ষার্থী। তিনি বাঁচতে চায়। সুস্থ্য হয়ে ফিরে যেতে চায় পড়ার টেবিলে।
বগাদিয়া তালতলা গ্রামের হুমায়ূন বলেন, এই মেয়েটা আমাদের প্রতিবেশী। হটাৎ তিনি ব্রেইন্ড টিউমারে আক্রান্ত হয়ে বিছানা কাতরাচ্ছে। তার পরিবারও খুব গরিব। এলাকাবাসী ও সরকারের সহযোগিতা পেলে হয়তো সে বাঁচতে পারে। আমাদের উচিৎ এসময় তার পরিবারকে সহযোগিতা করা।
একই এলাকার সোনা মিয়াসহ আরো অনেকে বলেন, সে মাদ্রাসার একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। তার পড়ালেখা খুবই ভাল। সে এ বছর দাখিল পরীক্ষা দিবে। এই সময় তার এই রোগ। এই রোগের চিকিৎসার খরচ যোগাতে তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব না। আমরা এবং সরকারের পক্ষ থেকে তাকে সকলে সহযোগিতা করলে হয়তোবা সে আবার লেখাপড়া করতে পারবে।
ব্রেইন টিমারে আক্রান্ত নোহা আক্তার বিণার বাবা বলেন, চলতি বছরের গত মার্চ মাসের ৮ তারিখে আমার মেয়ে হটাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে কিশোরগঞ্জ শহরে মেডিস্কানে নিয়ে গেলে ডাক্তারের পরীক্ষায় ব্রেইন টিউমার ধরা পরে। ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যেতে বলছে। তারাতাড়ি অপারেশন না করলে তাকে বাঁচানো যাবে না। আমি মাটি কাটার কাজ করি। আমার কাছে যে টাকা ছিল তা শেষ। এখন সরকার এবং বিত্তবানরা সহযোগিতা করলে হয়তো তাকে চিকিৎসা করাতে পারবো।
কিভাবে মেয়ের চিকিৎসা করাবেন। কিভাবে সংসার চালাবেন এই ভাবনায় নির্ঘুম রাত কাটে বীণার মা-বাবার। এমতবস্থায় কোন সমাজসেবী সংগঠন বা সরকারের পক্ষথেকে যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তা হলে হয়তো বেঁচে যাবে উজ্জল সম্ভাবনাময় এক মাদ্রাসা পড়–য়া শিক্ষার্থীর প্রাণ। মা-বাবা ফিরে পাবে সুস্থ্য অবস্থায় তার আদরের সন্তানকে। তাই আপনাদের সকলের সহযোগিতায় বাঁচতে পারে একটি তাজা প্রাণ।
রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার একাউন্টস নম্বর: ০৮৫১০১০০১৫৬৭৪, বিকাশ পারসোনাল: ০১৭৯৫-৭৬৯৫৬৭