কটিয়াদি পৌরসভাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো-মেয়র প্রার্থী মো: ইলিয়াস আলী
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কটিয়াদি পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন কটিয়াদি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মো.ইলিয়াস আলী।তিনি কটিয়াদি উপজেলার স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিত একটি নাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো.ইলিয়াস আলী কটিয়াদি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।বর্তমানে তিনি কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও কটিয়াদি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক ও কটিয়াদি বাজার বণিক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বিগত সময় থেকেই বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন, যা তাকে এলাকায় একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থানে নিয়ে এসেছে।রাজনৈতিকভাবে তিনি বেশ সক্রিয়। দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তার অংশগ্রহণ রয়েছে বলে জানা গেছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে তার তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা ও সমর্থন আদায়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এদিকে পৌর এলাকাবাসীর একটি বিরাট একটি অংশ মনে করছেন,রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও স্থানীয়ভাবে তার গ্রহণযোগ্যতা তাকে মেয়র পদে একজন সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখবে।
কটিয়াদি পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মো:ইলিয়াস আলী বলেন,আগামী দিনে আমি জনগণের সমর্থন নিয়ে আল্লাহর রহমতে মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক ও সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন,ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দেশের মানুষকে বিগত ১৭ বছর অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। কথা বলার স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে দিনের ভোট রাতে করেছিল। অবকাঠামোগত উন্নয়নের নামে তামাশা করেছিল। বিগত সরকারের আমলে সাবেক মেয়র কোথাও কোনো উন্নয়নের চিহ্ন বসাতে পারেনি। রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন হয়নি।বিএনপি সরকার বর্তমানে ক্ষমতায় থাকায় আমি আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে কটিয়াদি পৌরসভা এলাকার আধুনিকায়ন করে সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।যেখানে সকলের জন্য আধুনিক শিক্ষা,স্বাস্থ্য,কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে’।তিনি বলেন, আমি সারা জীবন পৌরবাসীর কল্যাণে রাজনীতি করে গেছি।
এদিকে দলীয় ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে,ইলিয়াস আলী সব সময় অসহায় ও বিপদ গ্রস্থ সহ এলাকার সকল মানুষের পাশে ছিলেন।দলীয় নেতাকর্মীরা জানান,তিনি নব্বইয়ের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের বীর সৈনিক।চব্বিশের স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী আন্দোলনেও রাজপথে তীব্র গণ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তিনি।কটিয়াদি উপজেলা ছাত্রদলের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে প্রবেশ করে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে গুরু দ্বায়িত্ব পালন করেন তিনি।
ইলিয়াস আলী দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে শত নিপীড়ন নির্যাতনেও ছেড়ে যান নি রাজপথ।দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে রাজপথে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
ত্যাগী ও লড়াকু নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি
ইলিয়াস আলী কেবল পদধারী নেতা নন, বরং রাজপথের একজন লড়াকু সৈনিক হিসেবে নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত। বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে আওয়ামী সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনে তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান এবং তার পরবর্তী সময়ে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত রাখতে তিনি সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।এই নেতা কঠিন প্রতিকূল সময়েও মাঠ ছেড়ে যাননি।
সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনপ্রিয়তা
মো.ইলিয়াস আলী কটিয়াদি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।বর্তমানে তিনি কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও কটিয়াদি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক ও কটিয়াদি বাজার বণিক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত।
এলাকার অসহায় মানুষদের তিনি আর্থিকভাবে সহযোগীতা করে আসছেন ছাত্ররাজনীতির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত।ইলিয়াস আলী দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পালনে তার সাংগঠনিক দক্ষতা দেখিয়েছেন।দলের কঠিন দু:সময়ে সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তাদের সুখে-দুখে পাশে থাকার কারণে দলের বিশাল সকল অংশ আগামী দিনে তাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চায়।
ক্লিন ইমেজ ও আগামীর প্রত্যাশা
বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন ‘ক্লিন ইমেজ’ এবং ‘পরিক্ষিত’ নেতাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন,তখন তার বিরুদ্ধে এলাকায় কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বা বিশৃঙ্খলার অভিযোগ নেই, যা বর্তমান সময়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে অত্যন্ত জরুরি।
সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,পৌর এলাকার মাঠ ঘাঠ চায়ের দুকানে চলছে তাকে নিয়েই আলোচনা।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাকে নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন সাধারণ কর্মীরা।
সার্বিক বিষয়ে কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক,কটিয়াদি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো:ইলিয়াস আলী বলেন,‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত নেবেন,যে দ্বায়িত্ব আমাদের উপর অর্পণ করবেন আমরা সেটাই মেনে নিয়ে এলাকার মানুষের অধিকারের জন্য,কল্যাণ ও শান্তি সুখের জন্য কাজ করবো ইনশাআল্লাহ'।