পটুয়াখালীতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত,প্রধান অতিথি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রতিবেদক- আব্দুল্লাহ জিম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীতে ব্যাপক ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (৩০ মে, ২০২৬) সকালে পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা বিএনপি এবং এর সর্বস্তরের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এই স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।
আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী। পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ বায়জিদ পান্নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ঐতিহাসিক ভূমিকা, সম্মুখ সমরে বীরত্ব এবং পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর কালজয়ী ও দূরদর্শী অবদানের বিভিন্ন দিক অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন চৌধুরী শহীদ জিয়ার শাসনামলে গৃহীত নানামুখী বৈপ্লবিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও রাষ্ট্রীয় নীতিমালার কথা স্মরণ করে বলেন, "দেশের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন, গ্রামীণ জনপদে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের মজবুত ভিত্তি প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমান যে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তিনি আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারণ করে বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
নেতৃবৃন্দের দীর্ঘ আলোচনা ও স্মৃতিচারণ শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে দেশের সার্বিক কল্যাণ, শান্তি এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সুস্বাস্থ্য দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।