তাহিরপুরে শ্রমিক সংকটে ৩ শুল্ক স্টেশন বন্ধে সীমান্তে মাইকিং
মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,প্রতিনিধি।
হাওরে ধান কাটার শ্রমিক সংকট নিরসনে তাহিরপুরের ৩ স্থল শুল্ক স্টেশনের কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহন বন্ধ ঘোষণায় সীমান্ত এলাকাজুড়ে মাইকিং করা হয়েছে।
শনিবার দিনব্যাপী মাইকিংয়ে জানানো হয়, তাহিরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাওরে বর্তমানে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হয়েছে। উপজেলার একমাত্র বোরো ফসল উত্তোলনে কোনো ধরনের শ্রমিক সংকট যেন না দেখা দেয়, সে লক্ষ্যে তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক সমিতির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জানাযায়,সমিতির পক্ষ থেকে চলতি বছরের ২০ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত উপজেলার বড়ছড়া,চারাগাঁও ও বাগলী স্থল শুল্ক স্টেশনে কয়লা ও চুনাপাথর পরিহন চূড়ান্তভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ খসরুল আলম বলেন,সুনামগঞ্জ-১ আসনে সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলের পরামর্শক্রমে উপজেলার বৃহৎ বোরো ফসলি ধানের হাওর শনির হাওর,মাটিয়ান হাওর,মহালিয়া হাওর ও বর্ধিত গুরমা হাওরের ধান কাটতে শ্রমিক সংকট যেন না হয়,সে লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সীমান্তের তিনটি স্থল শুল্ক স্টেশন বন্ধ থাকায় প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক হাওরে ধান কাটার কাজে যুক্ত হতে পারবেন বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, হাওরে কৃষকের ধান কাটার সুবিধার্থে উপজেলার তিন স্থল শুল্ক স্টেশনে কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহন এবং জেলার বৃহৎ বালু-পাথরমহাল যাদুকাটা নদীতে বালু উত্তোলন ১ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, এ বছর হাওরে ধান কাটতে আর শ্রমিক সংকট থাকবে না।