নিকলীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা বকুল মিয়ার অস্ত্রোপচারে প্রয়োজন ৪-৫ লাখ টাকা
আল-আমিন হাসান, নিকলী উপজেলা প্রতিনিধি :
জীবনের কঠিন বাস্তবতায় হার মানতে বসেছেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের মজলিশপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মো. বকুল মিয়া। এক সময় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে ঠেলাগাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। দিনভর পরিশ্রম করে তিন মেয়ে ও দুই ছেলের মুখে অন্ন জোগাতেন।
কিন্তু হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থমকে যায়। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ কর্মক্ষমতা হারিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। সংসারের দায়িত্ব এখন এসে পড়েছে তার তেরো বছর বয়সী জ্যেষ্ঠ পুত্রের ওপর। সে স্থানীয় একটি হোটেলে সামান্য বেতনে কাজ করে কোনোমতে পরিবারের নিত্যদিনের খাদ্যসংস্থান করছে।
এদিকে বকুল মিয়ার চিকিৎসা সংকট দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। চিকিৎসকদের মতে, তার সুস্থতার জন্য প্রয়োজন হৃদযন্ত্রের জটিল অস্ত্রোপচার, যার ব্যয় প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। কিন্তু এই বিপুল অর্থ জোগাড় করা তার পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ওষুধ কেনার সামর্থ্যই যেখানে সীমিত, সেখানে বড় ধরনের চিকিৎসা ব্যয় তাদের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় মজলিশপুর অ্যালামনাই কমিটির উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলী। তিনি বলেন, “বকুল মিয়া একজন সৎ ও আত্মমর্যাদাশীল মানুষ। তার বড় ছেলে আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। ছেলেটির দায়িত্ববোধ আমাকে মুগ্ধ করেছে। কিন্তু এই সংকট মোকাবিলায় সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “একটি পরিবার আজ চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। সবার সম্মিলিত সহায়তা পেলে তারা আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।”
স্থানীয়দের মতে, বকুল মিয়ার জীবন রক্ষা মানেই একটি অসহায় পরিবারের ভবিষ্যৎ রক্ষা। তাই মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সমাজের হৃদয়বান মানুষের এগিয়ে আসা জরুরি।
সহায়তা করতে আগ্রহীরা সরাসরি কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার মজলিশপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের মাধ্যমে সহযোগিতা করতে পারেন।
মোবাইল নম্বর : +8801944475535
আপনার সামান্য সহায়তাই বাঁচাতে পারে একটি জীবন।