নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পর্যায়ের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন
মোঃ শহিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ "ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর ক্রিকেট, কাবাডি, মার্শাল আর্ট ও দাবা প্রতিযোগিতার ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পর্যায়ের সমাপনী অনুষ্ঠান (মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ খ্রি:) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিজয়ী দলগুলোর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী, এনডিসি।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী বলেন, তোমরা সবাই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছ। তবে এখানে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি আমি। কারণ, একজন বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যারা বিজয়ী হয়েছো, সব দলই আমার। আবার যারা জয়ী হতে পারোনি, সেই দলগুলোও আমার। অর্থাৎ আমি যেমন বিজয়ী হয়েছি, তেমনি হারও দেখেছি। আর এটাই হচ্ছে খেলাধুলার প্রকৃত সৌন্দর্য। তোমাদের খেলার মাধ্যমে আমরা অনেক আনন্দ পেয়েছি। এটাই সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
তিনি বলেন, আগামীতে তোমাদের সামনে আরও অনেক সুযোগ রয়েছে। তোমরা জেলা ও বিভাগ পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়েও অংশগ্রহণ করবে। আমি আশা করি, আমাদের ময়মনসিংহ বিভাগ প্রতিটি খেলায় জাতীয় পর্যায়ে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হবে। তোমাদের এই স্পিরিট ও মনোবল যদি বজায় থাকে, তাহলে অবশ্যই আমরা সেরা হতে পারব।
কমিশনার বলেন, তোমরা খেলাধুলাকে ভালোবাসবে, খেলাধুলার মধ্যেই বাঁচবে। অনেকে হয়তো খেলাকে পেশা হিসেবেও নিতে পারো। খেলাধুলা একটি অত্যন্ত সম্মানজনক ও সম্ভাবনাময় পেশা। দেশে আমরা যতটুকু আর্থিক সহায়তা দিতে পারি, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একজন খেলোয়াড়ের মূল্য ও সম্মান আরও অনেক বেশি। সবচেয়ে বড় কথা, একজন ভালো খেলোয়াড় একাই বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে পরিচিত করে তুলতে পারে। আমি আশা করি, তোমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে হবে। কারণ, পড়াশোনা ছাড়া জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা সম্ভব হয় না।
ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ আজাদ জাহান-এর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব এ.কে.এম মাহবুবুল আলম, বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য শহিদুল আমিন খসরু প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিশু-কিশোর ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, অভিভাবক ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।